Mission

পুথিগত বিদ্যার পাশাপাশি হৃদয়-মনের সুষম বিকাশ একজন মানুষকে সত্যিকার মানুষ রূপে গড়ে তোলে। তাই কুমিল্লা কমার্স কলেজ চায় যেন প্রত্যেকটি ছাত্র-ছাত্রী স্বচ্চরিত্র, বিবেকবান এবং সুকোমল হৃদয়ের অধিকারী হয়ে ওঠে। ক্ষুদ্র স্বার্থপরতার উর্দ্ধে উঠে পরার্থে জীবন দানের ঔদার্য যেন তারা এ কলেজে অধ্যয়নকালে অর্জন করতে পারে।

read more

Impressum

কুমিল্লা কমার্স কলেজ তাঁর ছাত্রদের সৃজনশীল হতে, প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে এবং প্রকৃত জ্ঞানার্জন করতে উৎসাহ প্রদান করে। চর্বিত চর্বন করার মধ্যে কোন আনন্দ নেই। আবার প্রকৃত শিক্ষার অর্থ ভূড়ি ভূড়ি এবং উন্নত মানের তত্ত্বা বা তথ্য মগজে সঞ্চয় করাও নয়। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মন, মনন, মানসিকতা, চরিত্র, ব্যক্তিত্ব, জীব বোধ এক কথায় মনুষত্বের বিকাশ সাধন করা এবং একই সাথে দক্ষতা অর্জন করা।

read more

About Us

কুমিল্লা সাউদার্ণ ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত। ফাউন্ডেশনটি সম্পূর্ণ ভাবে শিক্ষা ও সমাজ সেবায় নিয়োজিত একটি অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। শত ঐতিহ্যের লীলাভূমি কুমিল্লা'র কতিপয় শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী ও সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা যাহারা বিভিন্ন পেশায় সততার সমুজ্জল দৃষ্টান্ত রেখেছেন তাদের সহযোগীতা ও পরামর্শে প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা সাউদার্ণ ফাউন্ডেশন অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে।

read more

Contrary belief

"স্ব-অর্থায়নে পরিচালিত, রাজনীতি ও ধূমপানমুক্ত"- এ শ্লোগানকে ভিত্তি করে ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় কুমিল্লা কমার্স কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি যেহেতু স্ব-অর্থায়নে অর্থাৎ একটি ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত, তাই একটি বিশেষ কমিটি দ্বারা উহা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক মোস্তফা কামাল প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

read more

Results

প্রতিষ্ঠার পর ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠানটির ১ম ব্যাচে ২৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে ২৭ জনই পাস করে। সে বছর শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জনসহ কুমিল্লায় শীর্ষ স্থান অর্জন করে। ২০০৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের শীর্ষ দশ তালিকায় ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করে। এ বছর ৭২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে ৭১ জন পাস করে। পাসের হার ছিল ৯৮.৬১। ২০০৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের শীর্ষ দশ তালিকায় ৪র্থ স্থান অর্জন করে। এ বছর ৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে ৭৩ জন পাস করে। পাসের হার ছিল ৯৭.৩৩। ২০১০ সালে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পাসের হারের দিক থেকে শীর্ষস্থান অর্জন করে। এ বছর ১৩৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে সকলেই পাস করে শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করে। অর্থাৎ পাসের হার ১০০% ২০১১ সালে পাসকৃতদের মদ্যে ১০০ জন তাদের জিপিএ প্রায় দ্বিগুন হারে বৃদ্ধি করেছে। এদের মধ্যে ৯ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। সর্বশেষ ২০১২ সালে ১৮২ জন অংশগ্রহন করে। ৯৯% পাশের হার নিয়ে শিক্ষাবোর্ডের নতুন নিয়মে ১৮তম স্থান অর্জন করে।

read more